1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. sarderamin830@gmail.com : Ajkerajker Ganamat : Ajkerajker Ganamat
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । যোগাযোগ: 01773730313
সংবাদ শিরোনাম :
আজ আরাফাতের ময়দান মুখরিত হচ্ছে ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে বাবুগঞ্জে উপজেলায় ফারজানা, বানারীপাড়ায় ফারুক এবং উজিরপুরে ইকবাল নির্বাচিত বরিশালে ক্লাবফুট চিকিৎসাসেবা নিয়ে জনসচেতনতামূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। বরিশালে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য-প্রধান তথ্য অফিসার বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্বপন’র পক্ষে গণজোয়ার বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন ফারজানার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত প্রতিপক্ষ, প্রচারণায় বাধার অভিযোগ বাকেরগঞ্জে ৩ যুবককে কুপিয়ে আহত ঝলকাঠি উপজেলা নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছেন আমির হোসেন আমু টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

কুড়িগ্রামে যে যুবকে দেখতে শিশুর মতো হলেও বয়স তার ৩২ বছর

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪
  • ২৬ 0 বার সংবাটি দেখেছে

 

বিশেষ প্রতিবেদক।।কুড়িগ্রাম।। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে যুবক বয়সেও দেখতে শিশুর মতো। শিশুদের সঙ্গে হেসে খেলেই দিন কাটে তার। ৩২ বছর বয়সী এই ‘শিশু’ আছর উদ্দিনকে নিয়ে বিপাক পড়েছে তার পরিবার।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আজিম উদ্দিন ও আছিয়া দম্পত্তির ছেলে আছর উদ্দিন। জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম আছর উদ্দিন নাম থাকলেও গ্রামের মানুষ শিশু সমীর বলে চেনেন।
বর্তমানে সমীরের বয়স ৩২ বছর। তবে শরীরের গঠন এবং চলাফেরা ঠিক শিশুর মতোই। বয়স বাড়লেও বাড়েনি তার উচ্চতা, বিকশিত হয়নি মন মানসিকতারও। সংসার তার কাছে এখনো অচেনা।
সারাদিন ছোট ছেলে মেয়েদের সঙ্গে খেলাধুলা করে কাটছে সমীরের জীবন। শিশু বয়সী আচরণে বাবা মা আছেন দুশ্চিন্তায়। চিকিৎসা করার পরও শরীর ও মনের পরিবর্তন না হওয়ায় তাকে নিয়ে চিন্তার শেষ নেই স্বজনদের।
স্বজনরা জানিয়েছেন, সমীর উদ্দিনের জন্ম ১৯৯২ সালে। তিনি দিনমজুর আজিম উদ্দিন ও আছিয়া বেগমের প্রথম সন্তান। সংসারে তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনি বড়। ছোট ভাই-বোন বিয়ে করে সংসার করছেন অথচ সমীর এখনো শিশু। তার দেহের বয়স আর মনের বয়স যেন এক ফ্রেমে বন্দি।

সমীর উদ্দিনের মা আছিয়া বেগম বলেন, ‘সমীর জন্মের পর থেকে এমন। তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ওর বয়স ৩২ বছর হলেও সে কিছু বোঝে না। সংসার বিয়েশাদি আত্মীয় স্বজন কোনো কিছু বোঝে না।
‘সারাদিন ছোট ছেলেমেয়ের সাথে খেলাধুলা করে। রাগ উঠলে ছোট মানুষের মত আচরণ করে। অনেক চিকিৎসা করেও কোনো ফল পাই নাই। আমরা মরে গেলে ওর জীবন কেমনে চলবে আল্লাহ জানে।’
সমীরের প্রতিবেশী আকবর আলী বলেন, ‘সমীররের বয়স যখন পাঁচ বছর তখন থেকে দেখি শরীরে কোনো পরিবর্তন নেই। ওর ছোট ভাই বিয়ে করে কর্মজীবন শুরু করছেন। সমীরের তো কিছু হলো না।
‘তার বাবা মা গরিব। একটা ঘরের মধ্যে বাবা মা সবাইকে নিয়ে থাকেন। গ্রামের মানুষ আমরা যতটা পারি সাহায্য করি। সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা করলে হয়তো সমীর ভালো থাকতে পারবে।’
কুড়িগ্রামের সাবেক সিভিল সার্জন এস এম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এটি মূলত খর্বাকৃতির বাচ্চা। যাকে স্ট্যানডিং বেবি বলা হয়। মূলত পুষ্টির অভাবের কারণে জন্মগতভাবে এমন সন্তানের জন্ম হয়।
‘জন্মের পর থেকে যদি সন্তানটির সঠিক চিকিৎসা করা যায় তাহলে কিছুটা পরিবর্তন আনা সম্ভব। বিশেষ করে গর্ভবতী মা ও শিশুর সঠিক পরিচর্যা, আয়োডিনযুক্ত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হলে খর্বাকৃতি বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ